বাংলাদেশ থেকে কীভাবে উমরাহ পালন করবেন নতুনদের জন্য ধাপে ধাপে গাইডলাইন
উমরাহ একটি ঐচ্ছিক ইবাদত, যা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর কাছে অসাধারণ আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে। শাহ মজিদিয়া রশিদিয়ার বিস্তারিত নির্দেশনার মাধ্যমে জেনে নিন বাংলাদেশ থেকে কীভাবে উমরাহ পালন করবেন।
মক্কায় উমরাহর পবিত্র সফরে বাংলাদেশ থেকে যাত্রা করুন আমাদের পূর্ণাঙ্গ সহায়তা ও প্রয়োজনীয় তথ্যের সাথে। আমরা নিশ্চিত করি একটি স্মরণীয় ও ঝামেলামুক্ত উমরাহ অভিজ্ঞতা।
কোটেশন নিন
উমরাহ পালনের সম্পূর্ণ ৭টি ধাপ
উমরাহ পালনের প্রতিটি ধাপ সঠিক নিয়মে সম্পন্ন করা জরুরি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে বুঝে নিতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
নিয়ত করা (The Niyyah)
ওমরাহ্ আদায়ের জন্য মনে মনে বা মুখে নিয়ত করা।
এহরাম (Ihram)
নির্ধারিত মীকাত থেকে এহরামের কাপড় পরিধান ও শর্তাবলী পালন করা।
তালবিয়াহ পাঠ (Reciting Talbiyah)
"লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক..." উচ্চস্বরে (পুরুষ) বা মৃদুস্বরে (নারী) পাঠ করা।
তাওয়াফ (Tawaf)
কা'বা শরীফকে ঘিরে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা।
সা'ঈ (Sa'i)
সাফা ও মারওয়া পাহাড় দুটির মাঝে ৭ বার হাঁটা বা দৌড়ানো।
হলক বা কসর (Halq or Taqsir)
পুরুষদের মাথা মুণ্ডন করা (হলক) অথবা চুল ছোট করা (কসর) এবং নারীদের সামান্য চুল কাটা।
মসজিদ নববী দর্শন (Visit Masjid an-Nabawi)
মদিনায় রাসূলে কারীম (সাঃ)-এর রওজা মোবারক ও মসজিদ নববী জিয়ারত করা।
উমরাহ সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
উমরাহ মূলত সাতটি ধাপে সম্পন্ন হয় — নিয়ত করা, মীকাত থেকে এহরাম বাঁধা, তালবিয়াহ পাঠ করা, কা'বা শরীফ ৭ বার তাওয়াফ করা, সাফা-মারওয়ায় ৭ বার সাঈ করা এবং সবশেষে মাথা মুণ্ডন (হলক) বা চুল ছোট করে (কসর) ইহরাম থেকে হালাল হওয়া।
পাসপোর্ট-ভিসা, প্রয়োজনীয় টিকা ও স্বাস্থ্য সনদ প্রস্তুত রাখুন, এহরামের কাপড় ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গুছিয়ে নিন এবং উমরাহর নিয়ম-কানুন ও জরুরি দোয়াগুলো আগে থেকে শিখে নিন। একটি নির্ভরযোগ্য এজেন্সির মাধ্যমে প্যাকেজ বুক করলে পুরো সফর অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
এহরাম বাঁধার পর তালবিয়াহ পাঠ করতে হয়, তাওয়াফের প্রতি চক্করে ও সাঈর সময় নির্দিষ্ট দোয়া পড়া সুন্নত। এছাড়া পুরো সফর জুড়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার, দরুদ ও ব্যক্তিগত দোয়া করা উত্তম। বিস্তারিত দোয়ার তালিকা আমাদের এজেন্সি থেকে প্রিন্টেড গাইডবুক আকারে সরবরাহ করা হয়।
এহরাম অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার, চুল বা নখ কাটা, ঝগড়া-বিবাদ ও অশ্লীল কথাবার্তা, শিকার করা এবং বিবাহ সংক্রান্ত কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হয়। পুরুষদের সেলাইযুক্ত পোশাক পরাও এহরাম অবস্থায় নিষেধ।
নিজের ও পরিবারের দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ, গুনাহ মাফ, ঈমানের দৃঢ়তা এবং সুস্থতা ও রিজিকের বরকত নিয়ে দোয়া করা যায়। এছাড়া ব্যক্তিগত যেকোনো বৈধ চাওয়া নিয়েও এই পবিত্র মুহূর্তে আল্লাহর কাছে দোয়া করা যেতে পারে।
তাওয়াফের জন্য অজু অবস্থায় থাকা জরুরি বলে অধিকাংশ আলেম মত দেন, তাই তাওয়াফের আগে অজু করে নেওয়াই নিরাপদ। সাঈর জন্য অজু আবশ্যক নয়, তবে অজু অবস্থায় থাকা উত্তম বলে বিবেচিত।
শাহ মজিদিয়া – রশিদিয়া
হজ্জ কাফেলা & ট্রাভেলস
কেন বেছে নেবেন শাহ মজিদিয়া – রশিদিয়া হজ্জ কাফেলা & ট্রাভেলস?
সঠিক হজ ও উমরাহ এজেন্সি নির্বাচন আপনার সফরকে করে তোলে শান্তিপূর্ণ, সুসংগঠিত এবং আধ্যাত্মিকভাবে পরিপূর্ণ। জেনে নিন কেন সারা বাংলাদেশের হাজার হাজার হাজী ও উমরাহ যাত্রী শাহ মজিদিয়া – রশিদিয়া হজ্জ কাফেলা & ট্রাভেলসের উপর আস্থা রাখেন।
- ✓২৪/৭ ডেডিকেটেড কাস্টমার সাপোর্ট
- ✓গ্রাহকদের আস্থাভাজন সেবা
- ✓হারাম শরীফের কাছাকাছি সুবিধাজনক হোটেল
- ✓এক্সক্লুসিভ প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টেশন
- ✓অভিজ্ঞ বাংলাদেশি গাইড (নারী ও পুরুষ)
- ✓প্রতিটি বাজেটের উপযোগী প্যাকেজ
- ✓যাত্রার আগে ও পরে উমরাহ প্রশিক্ষণ
- ✓কোনো হিডেন চার্জ ছাড়াই স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ